ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন
পূর্ণ নাম: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
ইমেইল: barrister.monwar@gmail.com
ঠিকানা: শহর : ৮৩ মুরাদপুর, শহীদ জানে আলম সড়ক, পাঁচলাইশ, বোয়ালখালী : সৈয়দ ইবরাহিম এর বাড়ি , ইমামনগর , কধুরখীল,
জন্ম: ২৭ এপ্রিল
জন্মস্থান: মুরাদপুর, ষোলশহর, চট্টগ্রাম
পিতা: ডা: মোহাম্মদ নূরুল হুদা (চট্টগ্রামের প্রখ্যাত চিকিৎসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা)
মাতা: সৈয়দা আকতার জাহান
ভাই-বোন: ৭ ভাই, ২ বোন (দুই ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা , প্রত্যেকেই প্রগতিশীল ও সংস্কৃতিমনা)
স্ত্রী: লুৎফুন্নাহার লীনা (শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত, পাশাপাশি তিনি নানা কল্যাণধর্মী ও সামাজিক সংগঠনে জড়িত)
সন্তান: ১ মেয়ে ও ১ ছেলে (মেয়ে ইংল্যান্ডে সলিসিটর, ছেলে ব্যারিস্টারী পড়ছে)
পেশা: ইংল্যান্ডের স্বনামধন্য প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার এবং লিঙ্কনস ইনের সদস্য । চেম্বার্স অব এম এম হোসেনের প্রধান । হাজার হাজার বাংলাদেশী নাগরিককে যুক্তরাজ্যে বসবাসের আইনি সহায়তা প্রদান । এরাই উল্লেখযোগ্য রেমিটেন্স পাঠিয়ে বাংলাদেশ এর অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন এবং এরা বা এদের সন্তানেরা উচশিক্ষিত হচ্ছেন । অগণিত মানুষকে বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সাহায্য প্রদান ।
শিক্ষা: এল এল বি (অনার্স) (লন্ডন), বিজনেস ল, মাস্টার অব কমার্স (ম্যানেজমেন্ট), (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, বিপিপি বিশ্ববিদ্যালয় লন্ডন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম হামজারবাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় । রাজনীতি - আজীবন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত, প্রগতিশীল চেতনায় শাণিত ও অবিচলিত। প্রবাসে থাকাকালীন সর্বক্ষণ দেশের সেবা করেছেন, মানবাধিকারের কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে । বাংলাদেশীদের নিয়ে কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠন ইত্যাদি করেছেন আর সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন ।একটা বিরাট সময় দেশে এসে সমাজ সেবা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মাঝে ব্যস্ত থেকেছেন ।
- স্কুল জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ।
- সপ্তম শ্রেণি থেকে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাথে সম্পৃক্ততা ।
- অষ্টম শ্রেণিতে নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সরাসরি ভোটে ছাত্র সংসদের এজিএস নির্বাচিত।
- নবম শ্রেণিতে থাকাকালীন একই স্কুলে ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত।
- সরকারী কমার্স কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। ১৯৭৮ সালে ছাত্র ইউনিয়নের চট্টগ্রাম
- মহানগরের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
- ১৯৮৩ সালে ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি।
- ১৯৮৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি এবং পরবর্তীতে কিছুদিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। এর সাথে সম্পৃক্ত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে নেতৃত্ব প্রদান। বাইশ দলীয় জেট গঠনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন।
- ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযে অনুষ্ঠিত বিশাল সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত।
- ১৯৮২ সালে ছাত্র ইউনিয়নের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
- ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে ছাত্র ইউনিয়ন ইত্যাদি সংগঠন নিয়ে এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সূচনাকারী অন্যতম নেতা । হুলিয়া জারি, বাড়িতে সেনা পুলিশের হানা শুরু যা ১৯৯০ এর শেষ পর্যন্ত চলে ।
- ১৯৮৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি এবং পরবর্তীতে কিছু সময়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি । এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে নেতৃত্ব প্রদান। ১৫ ও ৭ দলের যুগপৎ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন। ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য কমরেড ফরহাদের প্রস্তাব সসম্মানে নাকচ ।
- চট্টগ্রাম সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের অন্যতম নেতা।
- ছাত্র রাজনীতির সময়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষকদের কাছে একজন সেরা বক্তা ও টেলিভিশন বিতর্কিক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন ।
- ১৯৮৭ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বের জন্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৫ সপ্তাহ কারাগারে আটক ।
- ১৯৮৭ সালে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ৬ মাস কারাগারে আটক । ১৯৮৮ সালে মুক্তি লাভ।
- ১৯৮৯ সালে সর্বপ্রথম সারাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে উদ্যোগ নিয়ে বাবরি মসজিদে উগ্রবাদীদের হামলাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে বিশাল মানব শৃঙ্খলের আয়োজন । সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে চট্টগ্রামে ১৯৮৯ -১৯৯১ তে সর্বদলীয় শান্তি মিছিল ও প্রতিরোধে উদ্যোগী ভূমিকা পালন ।
- ১৯৯১ নগর সিপিবির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত। কেন্দ্রীয় সিপিবিতে সংগঠকের দায়িত্ব পালন।
- চট্টগ্রামের হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, সংবাদপত্র হকার, জুট ও গার্মেন্টস শ্রমিক, ব্যাংক কর্মচারী, শিক্ষক ইত্যাদি পেশার প্রচুর ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের উপদেষ্টা বা সহযোগী হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসব সেক্টরের শ্রমিক - কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন ।
এওয়ার্ড ও সম্মাননা
- বিশ্বখ্যাত প্রথম “হুজ হু বাংলাদেশ” এওয়ার্ড: পেশাজীবী ক্যাটাগরিতে- ২০১৬ সালে এই সম্মাননা নিয়েছিলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ ডঃ আনিসুজ্জামান সাইখ সিরাজ, আকরাম খান সহ আরো এগারোজন গুণী জনের সাথে । এটি ছিল বাংলাদেশে "হুজ হু" র প্রথম সম্মাননা ।
- “ব্রিটিশ-বাংলাদেশ বিজনেস এওয়ার্ড ২০১৫” – (আইন পেশায় উন্নত সেবা ও সফলতার জন্য)
- উত্তর আমেরিকার ফেডারেশন অফ বাংলাদেশী এসোসিয়েশনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে “ফোবানা এওয়ার্ড-২০১৭” ।
- ২০১৪ সালে “পূর্ব লন্ডনের আইনি পেশায় সেরা অর্জনকারী” হিসাবে পেশাজীবী এওয়ার্ড ।
- ‘এনআরবি প্রফেশনাল অব দ্য ইয়ার ২০২২’ এওয়ার্ড ।
সম্মাননা গ্রন্থ ও ডকুমেন্টারি
ব্যারিস্টার মনোয়ারের পেশাগত রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড নিয়ে বিশিষ্ট শিল্পী শাহরিয়ার খালেদের সম্পাদনায় অদম্য এক মনোয়ার হোসেন বইটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০২২ সালে ২০২৩ সালে দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে এতে জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন সহ অনেক রাজনৈতিক, সাংবাদিক এবং শিক্ষাবিদ তার সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। এতে রয়েছে বিভিন্ন তথ্যবহুল সংবাদপত্রের নিউজ কাটিং ছবি ও তার নিজের লেখা চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে লেখা প্রবন্ধ গুলি। ব্যারিস্টার মনোয়ারকে নিয়ে লন্ডনের চ্যানেল এস টিভি ২০০৯ সালে একটি ৪০ মিনিটের এবং ফিউশন এন্টারটেইনমেন্ট এর উদ্যোগে একটি ১৫ মিনিটের ডকুমেন্টারি প্রকাশিত হয়েছে।
- সেক্রেটারী জেনারেল, '’হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল’-( যুক্তরাজ্য ভিত্তিক এবং ১৯৯৪ থেকে যুক্ত, ফাউন্ডার: বব পেরি এম পি) ।
- চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম (২০১৫ সাল থেকে - চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও নাগরিক সমস্যা নিয়ে সামাজিক সংগঠন) ।
- চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম কো-অর্ডিনেশন কমিটি (বিশ্বব্যাপী চট্টগ্রাম সমিতির সম্মিলিত কমিটি)
- আহ্বায়ক, ব্রিটিশ-বাংলাদেশী ফোরাম ।
- আহবায়ক: বাংলাদেশ পরিবেশ রক্ষা ও আইন সংস্কার ফোরাম – (পরিবেশ সংরক্ষণ, এর জন্য গণ সচেতনতা সৃষ্টি ও জটবদ্ধ মামলা নিস্পত্তি করে সময়মতো সব মামলা নিস্পত্তির জন্য ভূমিকা রাখতে প্রতিষ্ঠিত) ।
- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, গ্রেটার চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, বর্তমানে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান (ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তর বাংলাদেশী সংগঠন - মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত -বাংলাদেশে হত দরিদ্রদের নিয়মিত সাহায্য প্রদান করে । এটি স্বাধীনতার উপর পাচঁশতাধিক পাতার একটি ঐতিহাসিক সংকলন প্রকাশ করেছে যা নতুন প্রজন্মের কাছে শিক্ষণীয়) ।
- আজীবন সদস্য, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল (১৯৯০ থেকে) ।
- সভাপতি, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রাম ।
- টিভি ব্যক্তিত্ব, ২০০১ সাল থেকে বিভিন্ন চ্যানেলে আইন বিষয়ক শো করে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসীদের সহায়তা করেছেন বিনামূল্যে।
- সভাপতি, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশন, ইউ.কে ।
- উপদেষ্টা, মাসিক দ্য ডিপ্লোম্যাট নিউজ ম্যাগাজিন, ঢাকা ।
- উপদেষ্টা সম্পাদক, নিউজ চট্টগ্রাম ২৪.কম ।
- প্রতিষ্ঠাতা, গ্রেটার চট্টগ্রাম ইয়ুথ ফোরাম ।
- প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি (৮০ ও ৯০ দশকে চট্টগ্রামের অত্যন্ত জনপ্রিয়, পাচঁশতাধিক সংগঠনের সমর্থনপুষ্ট, সফল উন্নয়ন আন্দোলন ও এরশাদ-আমলে উন্নয়ন দাবিতে ১৯৮৯ সালে ৪৮ ঘণ্টার সফল হরতাল করে এই সংগঠন) । তার নেতৃত্বে এ আন্দোলনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উন্নয়নের বেশ কিছু দাবি দেওয়া আদায় হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, চাক্তাই খাল খনন সংগ্রাম কমিটি, (চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম মহানগরীর চরম জলাবদ্ধতার সমাধান দাবিতে ৮০ দশকের শেষে হরতাল ইত্যাদির মাধ্যমে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই সংগঠন) ।
- মুরাদপুর জামে মসজিদ উন্নয়ন কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ।
- বোয়ালখালী উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি - প্রতিষ্ঠাতা ১৯৯১ ইং - এই সংগঠন সর্বপ্রথম কালুরঘাট সেতু নতুন করে নির্মাণের প্রস্তাব করে ।
- পশ্চিম ষোলশহর উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির প্রতিষ্ঠাতা - ১৯৯০ ইং - এই সংগঠনটি দশ হাজার মানুষ নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ঘেরাও করে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও কয়েকটি রাস্তা উন্নয়নের দাবি আদায় করে নেয় ।
- বাংলাদেশে প্রথম স্থানীয় সমস্যা ভিত্তিক দল মত নির্বিশেষে আন্দোলন গড়ার পাইওনিয়ার ।
- আজীবন সদস্য: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ।
- আজীবন সদস্য: চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন ।
- আজীবন দাতা সদস্য: কধুরখীল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, বোয়ালখালী ।
- বোয়ালখালীতে গাউসিয়া কমিটির মাধ্যমে এম্বুলেন্স প্রদান । এটি এই দুর্যোগের সময় বিশাল ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও হাজারো মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান ।
- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে একাধিকবার সাহায্য বিতরণ এবং তাদের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেছেন।
- "ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ফাউন্ডেশন" এর মাধ্যমে চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে অর্থ সাহায্য সহ বিভিন্ন রকম সহযোগিতা প্রদান। বিভিন্ন মসজিদ ও স্কুলে খাদ্য ও আর্থিক সাহায্য প্রদান।
- তার পিতা-মাতার নামে "ডাক্তার নুরুল হুদা - আক্তার জাহান ছাত্র বৃত্তি " প্রদানের মাধ্যমে গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান।